সম্রাট লস্কর

 

আজকেও নির্বাণ ফ্ল্যাটে ফিরল অনেক রাতে। এটা যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে তার আজকাল। তাড়াতাড়ি ফিরবেই বা কেন? কে আর তার জন্য অপেক্ষায় আছে? এই ফ্ল্যাটে সে একাই থাকে। বাবা, মা, ভাই থাকে সেই মেদিনীপুরে। বিয়েও করেনি, করার ইচ্ছেও নেই। বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল মুম্বইয়ে তার এই স্বাধীন জীবন।

তিন বছর হয়ে গেল এই ফ্ল্যাটটা সে কিনেছে। মুম্বইয়ের রীতিমতো অভিজাত আবাসনে এই ফ্ল্যাট। অনেক লোনও নিতে হয়েছে ব্যাঙ্ক থেকে। তবে সেসব নিয়ে নির্বাণ খুব একটা চিন্তা করে না। সে যে বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করে, তাতে মোটা মাইনে। স্বাভাবিকভাবেই কাজের দায়িত্ব আর ঝক্কি অনেক, কিন্তু সে সুন্দর ভাবে তার সাথে মানিয়ে নিয়েছে।

ফ্ল্যাটে ঢোকার একটু পরেই শাওয়ারের নীচে দাঁড়াল সে। দীর্ঘক্ষণ ধরে স্নান করল। এটা তার দরকার হয়। আজকে যে মেয়েটার সাথে ছিল, তার গন্ধটা মুছে ফেলা দরকার। কী যেন নাম? সে মনে করার চেষ্টা তেমন করল না। ওরা তো আর নিজেদের আসল নাম ব্যবহার করে না। আসল নকল কোনো নাম জেনেই বা তার কী হবে? তবে আজকের মেয়েটা আনকোরা ছিল। শরীরী খেলায় দক্ষ নয়। খুব একটা ভালো কাটেনি সময়টা। অতগুলো টাকা জলে গেল।

বাথরুম থেকে বেরিয়ে অভ্যাসমত মোবাইলের দিকে হাত বাড়াল। একটা মেসেজ।হোয়াটসঅ্যাপে এসেছে।

– “হোয়াই ডোন্ট ইউ আনসার, ইউ সেলফিশ কাওয়ার্ড। আই উইল মেইক ইউ পে।”

বৃন্দা। আবার বৃন্দার মেসেজ! অবাক না হলেও বিরক্ত হল সে। বৃন্দা অফিস ছেড়েছে মাসখানেক আগে। অফিস ছেড়েছে মানে তাকে ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। আর নির্বাণ তার জন্য অনেকটাই দায়ী। কিন্তু সে যা করেছে, তা ছাড়া অন্য কিছু করার কোনো উপায়ও ছিল না। বৃন্দাকে সেই সময় সাপোর্ট করা মানে কোম্পানির ম্যানেজমেন্টের বিপক্ষে যাওয়া। সেই ভুল আবার কেউ করে নাকি! মেয়েটা ক’দিন ধরেই তাকে ফোন আর মেসেজ করে যাচ্ছে। যেন সব দায় নির্বাণের। যত্তসব! মোবাইলে বৃন্দার নম্বরটা ব্লক করে দিল সে। এসব ঝামেলা বন্ধ হওয়া দরকার। 

বিছানায় শুয়েই অবশ্য ঘুম এল না। বৃন্দার ব্যাপারটাই মাথায় ভাসতে লাগল। একটা সময় ছিল যখন বৃন্দার সাথে ওর সম্পর্ক বেশ ক্লোজ ছিল। ঠিক রোম্যান্টিক ক্লোজনেস নয়, তবে অন্তত নির্বাণের দিক থেকে একটা আকর্ষণ তো ছিলই। বৃন্দার একটা আলাদা চটক আছে। সেটাকে খালি শারীরিক সৌন্দর্য বা সেক্সিনেস দিয়ে ডিফাইন করা যায় না। কাজেও দক্ষতাও সাঙ্ঘাতিক। বেশ কয়েকটা প্রোজেক্টে ও বৃন্দার সাথে কাজ করেছে। নিজের চোখে দেখেছে ওর স্কিল, ঠান্ডা মাথায় চাপ নেবার ক্ষমতা। তবে ভাল লাগা সত্ত্বেও ও বৃন্দার দিকে এগোয়নি মূলত দুটি কারণে। এক, কলগার্ল বা এসকর্ট সার্ভিসের মেয়েদের সাথে নির্বাণ যতটা ফ্রি, বৃন্দার মতো সফিস্টিকেটেড মেয়েদের সামনে সে এতটা কনফিডেন্স পায় না। দুই, বৃন্দার দিক থেকেও সে কোনো আলাদা সংকেত পায় নি যে সে বন্ধুত্বের বাইরে কোনো সম্পর্কে উৎসাহী। আরেকটাও কি কারণ ছিল? বৃন্দার কাজে দক্ষতা, অফিসে ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা কি নির্বাণকে ঈর্ষান্বিত করে তুলছিল? উত্তরটা নির্বাণের অজানা নয়, তবে ও নিজের কাছেও সত্যিটা স্বীকার করতে চায় না।

যে ঘটনা নিয়ে ঝামেলা, সেটা মাস পাঁচেক আগেকার কথা। অফিস থেকে বেরোতে সেদিন  দেরি হয়ে গিয়েছিল নির্বাণের। গাড়িতে করে কিছুদূর আসার পর খেয়াল হল একটা জরুরি ফাইল অফিসেই ফেলে এসেছে সে। অথচ উইকএন্ডে এই ফাইলটা নিয়েই কাজ করতে হবে। গাড়ি ব্যাক করে অফিসে ফিরল সে। নিজের ক্যাবিনে যাওয়ার পথেই একটা আওয়াজ শুনল। একটা ধ্বস্তাধস্তির আওয়াজ। আসছে চিফ ফিনানশিয়্যাল অফিসার শেট্টির ক্যাবিন থেকে। শেট্টি অফিসে অনেকক্ষণই থাকে। সেটা অবাক হওয়ার কোনো ব্যাপার নয়। কিন্তু আওয়াজটা কীসের? ক্যাবিনের দরজা ঠেলতেই থমকে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল নির্বাণ। ভিতরে বৃন্দা… আর তাকে জাপটে ধরে আছে শেট্টি। এক মুহূর্ত লেগেছে নির্বাণের ব্যাপারটা বুঝতে। আর যাই হোক এটা কনসেন্সুয়াল নয়। ওকে দেখেই শেট্টির থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাইরে বেরিয়ে গেল বৃন্দা। নির্বাণ আর শেট্টি পরস্পরের দিকে তাকিয়ে রইল। কারো মুখে কোনো কথা নেই।

বৃন্দা ছেড়ে দেয় নি। পরের সপ্তাহেই অফিস ম্যানেজমেন্টের কাছে অভিযোগ করল। একদম লিখিত অভিযোগ। গুরুত্ব বুঝে অফিসে বসল এনকোয়ারি কমিশন। এই রকম অভিযোগে প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দির গুরুত্ব অপরিসীম। বৃন্দা বারে বারে এসে নির্বাণের কাছে অনুরোধ করল সে যেন সত্যিটা বলে কমিশনে। তার বিশ্বাস ছিল, এইরকম সময়ে নির্বাণ ঠিক পাশে দাঁড়াবে। কমিশনে সাক্ষ্য দেওয়ার আগের রাতে ম্যানেজমেন্টের থেকে বেশ কয়েকটা ফোন এল। তার দরকার ছিল না অবশ্য। নির্বাণ আগেই ঠিক করে নিয়েছিল তার কী করা প্রয়োজন। সে এনকোয়ারি কমিশনে পরিষ্কার জানাল, যে সে ঘটনার দিন অফিসে আরেকবার এসেছিল বটে, কিন্তু ফাইল নিয়েই বেরিয়ে গেছিল তৎক্ষণাৎ। না, সে খেয়াল করে নি সেসময় শেট্টি বা বৃন্দা অফিসে ছিল কি না। কোনো আওয়াজও শোনেনি।

পরের ঘটনা যেমন হওয়ার কথা তেমনই হল। কোনো সিসিটিভি ফুটেজও পাওয়া গেল না। শেট্টির ঘরের সিসিটিভি নাকি দশ দিন ধরেই খারাপ ছিল। বৃন্দার অভিযোগ খারিজ হল। ওকে পাঠানো হল কম্পালসারি লিভে। তারপর খবর এল যে বৃন্দা চাকরি ছেড়ে দিয়েছে। চাকরি ছাড়ার পর থেকেই বৃন্দা বেশ কয়েকবার ফোন, মেসেজ করে যাচ্ছিল নির্বাণকে। যা নয় তাই বলছিল। কোনো পালটা উত্তর দেয় নি সে। ফেসবুকেও নাকি কীসব পোস্ট করেছে। একটা স্ক্রিনশটও দেখেছে। তাতে অবশ্য নির্বাণের নাম ডিরেক্টলি নেই। কিন্তু যা শুরু করেছে বৃন্দা, সেটাই না দিয়ে দেয় কোনোদিন। যেন শেট্টি না, নির্বাণই ওকে মোলেস্ট করেছে। সব ফালতু ঝামেলা। এসব থেকে দূরে থাকা দরকার। সে ঘুমিয়ে পড়ল। আগামীকাল শনিবার। অফিস যাওয়ার ব্যাপার নেই।

সকালে অবশ্য ঘুম ভেঙে গেল তাড়াতাড়ি। বাইরে একটা গোলমাল হচ্ছে। মোবাইল দেখল সে। সাতটা দশ। বাইরে এসে দেখল ওদের ফ্লোরের প্রায় সব লোকই বেরিয়ে এসেছে নিজেদের ফ্ল্যাটের বাইরে। গোলমালটা আসছে নীচের ফ্লোর থেকে। ব্যাপার কী? পাশের ফ্ল্যাটের পরেশকে জিজ্ঞেস করল সে।

– “৪০৭-এর সিদ্ধান্তকে পুলিশ অ্যারেস্ট করতে এসেছে।”

– “সিদ্ধান্ত, কিন্তু কেন?” নির্বাণ চমকে গেল। সিন্ধান্তকে সে বেশ পছন্দ করে। খুবই ব্রাইট ছেলে। সিদ্ধান্তও নির্বাণের সাথে খুব ফ্রি, বয়সের তফাত সত্ত্বেও। মাঝেমাঝেই ওর ফ্ল্যাটে আড্ডা মারতে চলে আসে ছেলেটা। ওর জ্ঞানের ব্যাপ্তিও বিস্ময়কর। কত আর বয়স হবে ছেলেটার, কুড়ি বা একুশ। অথচ সাহিত্য, সিনেমা, নাটক, সমকালীন রাজনীতি সবকিছু নিয়ে শুধু খবরই রাখে না, প্রতিটি বিষয়ে ওর সুস্পষ্ট মতামত আছে। ছেলেটা কিছুটা একগুঁয়ে আর জেদি বটে, কিন্তু নির্বাণের ভালোই লাগে। নিজের ছাত্রজীবনের কথাও মনে পড়ে। ইউনিভার্সিটিতে সিদ্ধান্তের মতো কিছু সহপাঠী তারও ছিল। পড়াশোনায় তুখোড় অথচ গা বাঁচিয়ে চলা নির্বাণকে বিশেষ পাত্তা তারা দিত না। এই যে ছেলেটা তার সাথে এসে এতক্ষণ আড্ডা মেরে যায়, ফ্রিলি আলোচনা করে সবরকম ব্যাপারে, এটাই নির্বাণের সাথে করে ক’জন? মুম্বইতে এই একজনের সাথেই তার কিছুটা হলেও একরকম মানসিক নৈকট্য হয়েছিল আর সেই ছেলেটাকেই আজ পুলিশ অ্যারেস্ট করতে এসেছে? কোন‌ অপরাধে?

– “ফেসবুকে কী সব উল্টোপাল্টা পোস্ট দিয়েছে। আজকালকার বেহায়া ছেলে সব। বেশি পাকা। বুঝবে এবার ঠেলা।”

নির্বাণ ছুটে গেল নীচে। সিদ্ধান্তকে পুলিশ টেনে নিয়ে যাচ্ছে। ওর মা আর বোন কেঁদে চলেছে। ওর বাবাকেও দেখা গেল। মাথা নত করে দাঁড়িয়ে আছেন। সিদ্ধান্তের চোখ হঠাৎ খুঁজে পেয়েছে নির্বাণকে। তার ঠোঁট দুটো নড়ে উঠল। “প্লিজ, হেল্প মী।” পুলিশের দুই কন্সটেবল টানতে টানতে নিয়ে চলে গেল ওকে।

ঘরে এসে নির্বাণ মোবাইলে ফেসবুকটা লগ ইন করে সিদ্ধান্তের প্রোফাইলটা খুলল। পোস্টগুলো রাজনৈতিক তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বর্তমান সরকারের তীক্ষ্ণ সমালোচনা। বিশেষত এনআরসি আর সিএএ নিয়ে। কিন্তু প্রত্যেকটিই লজিক্যাল সমালোচনা। কোনো অশ্লীল কথা নেই, কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ নেই। শেষ দুটো পোস্ট গত সপ্তাহের। রামমন্দির নিয়ে রায়ের বিপক্ষে। এদুটোই বোধহয় প্রশাসনের নজরে এনেছে কেউ। এরকম পোস্টের জন্য কাউকে সভ্য দেশে গ্রেপ্তার হতে হয় ভাবাই যায় না। তবে দিন দিন দেশটা যা হচ্ছে! 

তার অবশ্যই কিছু করা উচিত। কিন্তু পুলিশের ব্যাপার… তার ওপর আবার রাজনৈতিক অ্যাঙ্গল। একটু থমকে গেল সে। এইসব ঝামেলায় জড়ানো কি তার উচিত হবে? সব সময়েই সে ঝুটঝামেলা থেকে শত হাত দূরে থেকে এসেছে। কিন্তু সে সিদ্ধান্তের সেই নীরব আকুতি ভুলতে পারছে না। “হেল্প মী,” ছেলেটা বলেছিল। ও হেল্প করবে না? মনে দ্বিধা নিয়েও সে সিদ্ধান্তের ফ্ল্যাটের দিকে পা বাড়াল। পরবর্তী পরিকল্পনা ওর পরিবারের সাথে মিলেই করতে হবে। 

লড়াই সহজ ছিল না। সিদ্ধান্তকে বেশ ভালভাবেই ফাঁসানো হয়েছে, এবং রীতিমতো প্ল্যান করে। আই.পি.সির একগুচ্ছ ধারা মিশিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে যাতে জামিন পাওয়া সহজ না হয়। এমন কি তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬এ ধারাও আরোপ করে হয়েছে, যেটাকে কয়েক বছর আগে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছিল। যতরকম ভাবে ছেলেটাকে হ্যারাস করা যায় আর কি। তবে নির্বাণরা হাল ছাড়েনি। প্রভাব খাটিয়ে দক্ষ উকিল জোগাড় করেছে। সিদ্ধান্তের বন্ধুরাও পাশে দাঁড়িয়েছে। ওদের উৎসাহ দেখে কিছুটা অবাকই হয়েছে নির্বাণ। বন্ধুর পাশে যেভাবে তারা দাঁড়িয়েছে এই বিপদে, সেটা দেখার মতো। সোশ্যাল মিডিয়াতে তো তারা রীতিমতো ঝড় তুলে দিয়েছে সিদ্ধান্তের মুক্তির দাবীতে। 

অবশেষে জেলে দশরাত কাটানোর পর সিদ্ধান্ত জামিন পেল। জেল থেকে বেরিয়ে প্রথমে সে বাবা, মা, বোন কারো কাছে গেল না। সোজা এগিয়ে এসে জড়িয়ে ধরল নির্বাণকে। সিদ্ধান্তের আলিঙ্গনের মধ্যে নির্বাণ অনুভব করছিল, এ রকম তৃপ্তি সে অনেক দিন পায়নি। অদ্ভুত ভাললাগা ছড়িয়ে পড়ল শরীর জুড়ে।

এর পর আবার রুটিনে বাঁধা গতানুগতিক জীবন। বেশ কিছুদিন অফিসের কাজে মন দিতে পারেনি। কাজ অনেক জমে গেছে। সেগুলো নিয়েই কাটল কয়েকদিন। নারীশরীরের সান্নিধ্যও পায়নি অনেকদিন। ওটা না হলে তার হয় না। এক উইকএন্ডে মহাবালেশ্বর চলে এল সাথে এক সঙ্গিনীকে নিয়ে। বয়স বেশ কম। চেহারায় চটক আছে, দু’একটা সিরিয়ালে নাকি কাজ করেছে। মেয়েটার সাথে সময় ভালোই কাটার কথা, কিন্তু কাটল না। কী যেন একটা খচখচ করছে মনে ক’দিন ধরেই। কী সেটা মনে করতে পারছে না কিছুতেই। তারপর মেয়েটা যখন তাকে জড়িয়ে ধরে কাছে টেনে নিল, তখন তার শরীরে ডুব দেওয়ার আগের মুহূর্তে নির্বাণের মাথায় চিন্তাটা এসে গেল চকিতে। সে বুঝতে পেরেছে, কেন তার ভালো লাগছে না। সিদ্ধান্তকে সাহায্য করার জন্য তার তো খুশি থাকারই কথা ছিল। কিন্তু সে খুশি নেই কারণ… বৃন্দা। বৃন্দার পাশেও তো তার দাঁড়ানোর কথা ছিল। সে দাঁড়ায়নি। সিদ্ধান্তকে সাহায্য করলেই সে গ্লানি চলে যাওয়ার নয়। বৃন্দার পাশে না থেকে সে যে অন্যায় করেছে, তার প্রায়শ্চিত্ত প্রয়োজন।

সে উঠে বসল।

– “ক্যা হুয়া?” সঙ্গিনীর গলায় স্পষ্ট বিরক্তি।

নির্বাণ কোনো উত্তর দিল না। মোবাইলটা তুলে নিয়ে বৃন্দাকে আনব্লক করেই মেসেজ লিখতে বসল:         

– “স্যরি বৃন্দা। আই ডিড লেট ইউ ডাউন। বাট আই প্রমিস টু ডু দ্য রাইট থিং নাউ। প্লিজ রিল্পাই।”

মেসেজটা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে বসে রইল নির্বাণ। দু’টো ধূসর টিকচিহ্ন কখন নীল হবে তার অপেক্ষায়। অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে শায়িতা মেয়েটি। এই রাত কি তাদের এই ভাবেই কাটবে?

সম্রাট লস্কর ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক, যদিও বর্তমানে উচ্চশিক্ষা দপ্তরে আধিকারিক হিসেবে কর্মরত। “সৌতি” পত্রিকার যুগ্ম-সম্পাদক।

 

সঙ্গের ছবি – রোজানা গাডোনি (ইন্টারনেট)

1 thought on “এপিফ্যানি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *